in artical

জানেন তো, সর্ব রোগ সারে আদা? আসলে আদার মধ্যে এত রকমের ভেষজ গুণ আছে যে, ঠাণ্ডা-কাশি, গলাব্যথা, সংক্রমণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও ওজন কমানোর মতো হাজারো সমস্যার এক সমাধান লুকিয়ে আছে।

আয়ুর্বেদ বলছে, সকালে আদাকে আপন করে নেওয়ার পাঁচটি কারণ আছে। সেগুলো হলো-

ত্বক-চুল ঝলমলে আদার গুণে: আদার মধ্যে আছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আর ভিটামিন। যা শরীরকে নির্বিষ করে। একই সঙ্গে দেখভাল করে চুল-ত্বকেরও। তাই নিয়মিত আদা ফোটানো পানিতে গরম বা হালকা গরম পান করলে নিদাগ ত্বক আর কোমর ছাপানো চুল ঠেকায় কে?

ওজন কমায়: খিদে নিয়ন্ত্রণে আদার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। রোজ সকালে আদা কুচি লবণ মাখিয়ে খেলে অকারণ খিদে পাওয়া কমবে। তাছাড়া গরম পানিতে আদা কুচি বা থেঁতো করা আদা ফুটিয়ে খেলেও একই উপকার মিলবে। একই সঙ্গে রক্তে চিনির মাত্রা বাড়বে না।

প্রদাহ পালায়: আদা মানেই শরীরের সমস্ত প্রদাহ কমে যাওয়া। বিশেষ করে বাতের ব্যথায় ভোগেন যারা তাদের কাছে আদা মহৌষধি। আদার মধ্যে থাকা প্রদাহ কমানোর উপাদানের জোরেই বাতের ব্যথা ও পেশির ব্যথা থাকে নিয়ন্ত্রণে।

অন্ত্র সুখী আদার মন্ত্রে: আদাজল খেয়ে কাজে নামলে যেমন কাজে সাফল্য আসে তেমনি নিয়মিত আদার জল খেলে পালায় হজমের সমস্যা। দ্রুত হজম ছাড়াও গ্যাস-অম্বলে গলা-বুক-পেট জ্বালা করা, বমি ভাব সব যাবে এক ওষুধে। পানীয় স্বাদু বানাতে দরকারে মধু, পাতিলেবুর রস, পুদিনা পাতা মিশিয়ে নিতে পারেন।

কমে কোলেস্টেরল: খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে, ভালো কোলেস্টেরল বাড়িয়ে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে দেয় না আদা।

এই পাঁচ সমাধান ছাড়া আদা আরো অনেক রোগ উপশমে সাহায্য করে। তাই সুস্থ থাকতে আদাজল ছাড়াও আদা চা, আদার জ্যাম, আদার স্মুদি বা স্যুপও খেতে পারেন।