in artical

বুধবার ভোরে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের শান্তিনিকেতন এলাকায় নিজ বাসায় খুন হন কথিত পীর ও ব্যবসায়ী শাহ মো. তবারক হোসেন (৭০)। এ ঘটনায় তার পালিত ছেলে সাইফুলও আহত হন। তবারক মহাখালীর মামা প্লাজার মালিক। তিনি চট্টগ্রামের শফি মাইজভান্ডারীর অনুসারী ছিলেন। সেই সুবাদে তার বাসায় অনেক মুরিদ আসা-যাওয়া করতো। তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে একজন খুনির একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ওই ফোনের সূত্র ধরে অন্য খুনিদের শনাক্ত করা হয়। খুনিরা সবাই আগে থেকেই শাহ তবারকের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতো। তবারকের বাসায় নগদ টাকা রাখার বিষয়টি জানতে পেরে তারা ওই টাকা লুট করার পরিকল্পনা করে। ওই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনটি ছুরি নিয়ে তারা ওই বাসায় গিয়ে তবারককে হত্যার পর টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়।

জানা গেছে, শান্তিনিকেতন এলাকার মসজিদ গলির ওই বাসার চতুর্থ তলায় নিজ ফ্ল্যাটে পালক ছেলে সাইফুলকে নিয়ে থাকতেন তবারক হোসেন। তার স্ত্রী পারভীন ইসমত আরা মহাখালীর ডিওএইচএস এলাকায় দুই মেয়ের সঙ্গে আলাদা থাকতেন। তবারকের এক ছেলে শাহাদত হোসেন তুষার যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। তবারক হত্যার ঘটনায় তার ভাই বাদী হয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ের শান্তিনিকেতন এলাকায়  ব্যবসায়ী ও কথিত পীর শাহ্ মো. তোবারক হোসেন হত্যার ঘটনায় পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে ডিএমপি মিডিয়া বিভাগের উপ কমিশনার মাসুদুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।