in artical

 

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের কমান্ডার মে. জেনারেল কাসেম সোলেমানি। এসময় ইরাকের জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাশদ আশ-শাবির উপ-প্রধান মাহদি আল মুহান্দিসসহ আরও ৬ জন নিহত হয়েছিলেন।

 সব বিদেশি সৈন্যকে ইরাক ছেড়ে যেতে একটি রেজ্যুলেশন পাস করেছে দেশটির পার্লামেন্ট। বিদেশি সৈন্যরা যাতে ইরাকের আকাশ, স্থল এবং জলসীমা ব্যবহার করতে না পারে সে ব্যাপারে একটি নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বানও জানানো হয় ওই প্রস্তাবে।

কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার তিনদিন পর রোববার (৫ জানুয়ারি) ইরাকের সংসদে এ প্রস্তাব ওঠে।

২০০৩ সালে ইরাক আগ্রাসনের পর থেকে দেশটিতে ঘাঁটি গেড়ে আছে হাজার হাজার মার্কিন সৈন্য। ইরাকে বর্তমানে আমেরিকার প্রায় ৫ হাজার সৈন্য রয়েছে।

মিত্র হিসেবে প্রতিবেশি ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রকে বেকায়দায় রয়েছে ইরাক। অন্যদিকে আইএস বিরোধী লড়াইয়ে ইরাকের বিভিন্ন শিয়া মিলিশিয়া গ্রুপকে সহায়তা করছে ইরান। ইরানের জনগণের বড় একটা অংশ ইরানের প্রতি সহানুভতিশীল, যারা মার্কিনীদের হাতে কাসেম সোলাইমানি খুনের ঘটনায় মারাত্মক ক্ষুব্ধ হয়েছে।  এছাড়া ওই সব মিলিশিয়া গ্রুপগুলো এ খুনের প্রতিশোধ নিতে চায়।