সর্বশেষ আপডেট

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শনিবার দোহার একটি হোটেলে জাকজমক-ভাবে ত্রিপক্ষীয় । আফগান সরকার – তালেবানের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে।

আফগানিস্তানের হাই কাউন্সিল ফর ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশনের চেয়ারপারসন আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ, তালেবানের ডেপুটি লিডার মোল্লা আবদুল গনি বারাদার ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বৈঠকে তিন দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। খবর আলজাজিরা , বিবিসি , এএফপির।

শান্তি আলোচনায় উদ্বোধনী বক্তব্যে আবদুল্লাহ বলেন, তারা ন্যায্য, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ শান্তি প্রত্যাশা করছেন। অপরদিকে মোল্লা বারাদার ‘দেশে ইসলামি পদ্ধতি’ বাস্তবায়নে তার গ্রুপের দাবির পুনরাবৃত্তি করেছেন। তিনি বলেন, আমরা চাই ‘একটি স্বাধীন ও উন্নত দেশ এবং এটি হতে হবে ইসলামি পদ্ধতির দেশ, যেখানে সব নাগরিক নিজেদের প্রতিফলন দেখতে পাবে।

এবং পম্পেও তার বক্তব্যে আফগানিস্তানের উভয় পক্ষকে বলেন, ‘আপনাদের ভবিষ্যত রাজনৈতিক পদ্ধতি আপনাদেরই বেছে নিতে হবে। শান্তি নিশ্চিত করার ‘সুযোগ গ্রহণ’ করার জন্য তিনি তাদেরকে আহ্বান জানান।

বহু মাস ধরে টানাপোড়েনের পর কাতারের রাজধানী দোহায় শুরু হওয়া এই আলোচনাকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

প্রারায় দীর্ঘ দুই দশকের যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে তালেবান ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসে স্বাক্ষরিত হওয়া একটি নিরাপত্তা চুক্তির পর এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিতর্কিত বন্দি বিনিময় চুক্তি, আফগানিস্তানে সহিংসতা বৃদ্ধি ও নানা কারণে শান্তি আলোচনা আটকে ছিল।