গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলায় নিরীহ ও নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিরা মারা যাচ্ছে। মুসলিম বিশ্বের প্রায় সব দেশই এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। তবে দৃশ্যত কোনও কিছুই করছে না তারা, তবে ফিলিস্তিনে নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে লেবানন ও সিরিয়া। একদিনের ব্যবধানে দুই দেশ থেকে দখলদার ইসরায়েলে হামলা চালানো হয়েছে।

গত সোমবার (১০ মে) থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি সৈন্যদের হামলায় ১২৬ জন নিরস্ত্র ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩১ শিশু ও ২০ নারী রয়েছেন। এছাড়া ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৯২০ ফিলিস্তিনি। এদিকে ইসরায়েলি হামলার পাল্টা জবার দিচ্ছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। গাজা থেকে রকেট ছুঁড়ে এ হামলায় জবাব দিচ্ছে তারা। সংগঠনটি ইতোমধ্যে ১৮০০ এর বেশি রকেট ছুঁড়েছে। এসব রকেটে ইতোমধ্যে ৮ ইসরায়েলি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।


এদের মধ্যে দুই শিশু, একজন ভারতীয়, একজন বয়স্ক নারী ও এক ইসরায়েলি সেনাসদস্য রয়েছেন। এসব হামলায় আহত হয়েছেন কয়েক ডজন। এছাড়া আল জাজিরা জানায়, গত শুক্রবার (১৪ মে) সিরিয়া থেকে অন্তত তিনটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। তবে ওই হামলায় কোনো হতাহত বা ইসরায়েলের কোনো স্থাপনা ধ্বংস কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি। অবশ্য ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, রকেটগুলো সিরিয়ার ভেতরেই পতিত হয়েছে। এতে তাদের কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। কারা এই হামলা চালিয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে, হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা এই হামলা চালাতে পারে। তবে ওই হামলার পর পরই দখলদার ইসরায়েলে সাইরেন বেজে ওঠে। কোন গ্রুপ এই হামলা চালিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই হামলার শিকার করেছে একটি গ্রুপ। এই গ্রুপটি ইরাকের বলে জানা গেছে।

অপরদিকে, বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, গত বুধবার (১৩ মে) দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলের দিকে কমপক্ষে তিনটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। সীমান্তের নাকৌড়ার উত্তরে ক্লাইলেহ অঞ্চল থেকে তিনটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।