তরুণ লেখক ‘শুভ’ লিখিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নলিনী’।যা অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২১ এ ‘পুস্তক প্রকাশন’ হতে প্রকাশিত।’নলিনী’ কাব্যগ্রন্থটি বর্তমানে পাঠকদের মাঝে ভালো সাড়া ফেলেছে।’নলিনী’ কাব্যগ্রন্থটি কিছুদিন আগে ‘রকমারি ডটকমের’ প্রি অর্ডার বইয়ের বেস্ট সেলার লিস্টে নয় নম্বরেও ছিলো।
‘নলিনী’কে নিয়ে তার লেখক ‘শুভ’কে প্রশ্ন করা হয়,’নলিনী’ গ্রন্থটি লিখতে আপনার কত সময় লেগেছে?
তিনি বলেন, “আমি লেখালেখি করি অনেক আগে থেকেই।
তবে, ৪-৫ বছর আগে বই করার পরিকল্পনা থেকে বইয়ের নাম ঠিক করি “নলিনী” এবং একটু,একটু করে পান্ডুলিপি তৈরি করি।”

“নলিনী” গ্রন্থের প্রচ্ছদটি পাঠকের মাঝে বেশিই সাড়া ফেলেছে।প্রচ্ছদ এর গল্পটি কি?
তরুণ লেখক ‘শুভ’ উত্তরে বলেন “”নলিনী” যদিও একটি কবিতার বই।আমি সবসময় চরিত্রকে ভিত্তি করেই লিখি,
নামটি যখন আমি ঠিক করি তখনই নলিনী নামে একটি নারী চরিত্র কল্পনা করি।
চরিত্রটি মিলে যায় একজন জীবন্ত মানুষের সাথে, তার ছবি থেকেই প্রচ্ছদটি করা।
এই অসাধারণ প্রচ্ছদটি করেছেন, প্রচ্ছদশিল্পী সাহাদাত হোসেন৷”

যেকোনো গ্রন্থ/বই প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকাশক ও প্রকাশনীর গুরুত্ব অনেকটা।সেক্ষেত্রে আপনি ‘নলিনী’র প্রকাশক এবং প্রকাশনী হতে কেমন সহযোগিতা পাচ্ছেন/পেয়েছেন?
উত্তরে বলেন “লেখক মানেই তার কথাগুলো প্রকাশের জন্য তিনি মরিয়া হয়ে উঠবেন।
আমি তার ব্যতিক্রম নই।
আর প্রকাশনী হলো লেখকের লেখাগুলো প্রকাশের এক অন্যতম মাধ্যম। প্রকাশনী ছিলো বলেই তো আজ সাহিত্যে এত জনপ্রিয় লেখক তৈরি হয়েছে।
সেভাবেই আমার প্রথম গ্রন্থ প্রকাশ করেছে পুস্তক প্রকাশন। সহযোগিতা বলতে- প্রকাশনীর কর্ণধার সালমান ফারসী আমাকে, এবং আমার লেখাগুলো প্রকাশের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলেই আজ “নলিনী” আপনাদের সামনে।”

আপনার লেখালেখি’র ক্ষেত্রে কার থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকেন বেশি এবং তার সম্পর্কে দু’লাইন জানতে চাই?
তিনি বলেন, “আমি সবসময় বলি, যে মানুষ আমার সব কাজকেই চোখ বন্ধ করে ভালো মনে করেন, আমার প্রতি বিশ্বাস রাখেন তিনিই আমার অনুপ্রেরণা।
আর এই অনুপ্রেরণা আমার মা।
মা’কে নিয়ে একটি শব্দও লেখার ক্ষমতা আমার নেই।
মা’ ছোট্ট একটি শব্দের বিশালতাই তো বহু।

বই প্রকাশের আগে পরিবার থেকে কতটা সহযোগিতা পেয়েছিলেন লেখালেখির ক্ষেত্রে এবং এখন কেমন পাচ্ছেন?
লেখক বলেন, “পরিবার মানেই তো শেকড়ের মতো,আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকা।
পরিবারের সহযোগিতা না থাকলে কখনোই এতদূর আসা হতো না৷
তবে যারা খুব বেশি সহযোগিতা করেছেন তারা হলো বাবা,মা, কাকা যিনি সূদুর আরব আমিরাতে থেকেও নিয়মিত বইয়ের খোঁজ খবর নিচ্ছেন, সাথে কাকিমা এবং সকল আত্মীয়- স্বজন যাদের কথা বলে শেষ করা যাবে না।
এক কথায় সকলেই যে, যেভাবে পারছেন সহযোগিতা করেছেন এবং করছেন।”

একজন তরুণ লেখক হিসেবে বর্তমানে পাঠকের ভালোবাসা কেমন পাচ্ছেন এবং পাঠকের ভালোবাসায় আপনার অনুভূতি কেমন?
উত্তরে তরুণ লেখক শুভ বলেন, “আমি মনে করি একজন লেখক প্রথমে ভালোবাসার কাঙাল হয়ে উঠেন, তারপর লেখক৷
আর এই ভালোবাসা মানেই পাঠকের ভালোবাসা।
পাঠকের ভালোবাসা, আগ্রহ, উদ্দীপনাকে কেন্দ্র করে লেখালেখির চর্চা করা৷
তবে আমার প্রথম গ্রন্থে আমি যে তুমুল সাড়া পেয়েছি পাঠক হতে, তা ব্যখ্যা করার মতো নয়৷
তুমুল আগ্রহে আগলে নিয়েছেন নলিনী’কে।
পাঠকের ভালোবাসায় নলিনী, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন বুকশপ রকারি ডট কমের প্রি-অর্ডার বেস্টসেলার তালিকায় ৯ম স্থানে ছিল।
এটি আমার জন্য অনেক প্রাপ্তি।
আশা রাখি পাঠক এভাবেই ভালোবেসে আমার আগামীতে প্রকাশিত গ্রন্থগুলোকেও আগলে রাখবেন৷”